গৃহত্যাগীর সাথে আমিয়াখুম, নাফাখুম, সাতভাইখুম ভ্রমণ
অক্টোবর- ১৬, ১৭, ১৮ তারিখ (শুক্র, শনি, রবিবার)
বান্দরবানে গহীনে থানচি-সাঙ্গু নদী-রেমাক্রি-তিন্দু-নাফাখুম-আমিয়াখুম-থুইসাপাড়া-সাতভাইখুম ভ্রমণ! উঁচু উঁচু পাহাড়ে ঘেড়া লোকালয়, মায়াভরা খুম আর আঠালো চালের ভাত, দেশী মুরগি খাওয়া, রাতে স্থানীয়দের ঘরে থাকা! সব মিলিয়ে কেমন কাটবে ভাবুন একবার!
যাত্রার সময় : ১৫ অক্টোবর - বৃহস্পতিবার ঢাকা থেকে রাতের বাসে রওনা (৯.৩০, সায়েদাবাদ)
(১৬ অক্টোবর - শুক্রবার রাতে থুইসা/জিন্নাপাড়ায় থাকা, ১৭ অক্টোবর - শনিবার রাতে নাফাখুম পাড়ায় থাকা, ১৮ অক্টোবর - রবিবার রাতের বাসে ফেরা)
ফেরার তারিখঃ ১৯ অক্টোবর - সোমবার সকাল ৭টার মধ্যে ঢাকা (সায়েদাবাদ) পৌঁছে যাব, ইনশাআল্লাহ।
★★ ট্যুর প্যাকেজঃ ৮৫০০/- টাকা (প্রতিজন)।
★★ বুকিং মানি ৪০০০ টাকা (অফেরতযোগ্য)
ট্রিপ সাইজঃ ১২/১৪ জন।
#এই ইভেন্টে যা দেখব-
★ থানচি ★ রেমাক্রি ফলস ★ রাজাপাথর ★ তিন্দু ★ নাফাখুম ★ আমিয়াখুম ★ সাতভাইখুম ★ ভেলাখুম ★ থুইসাপাড়া/জিন্নাপাড়া ★ নাফাখুমপাড়া ★ দেবতাপাহাড় ★ ডিম পাহাড়।
** ট্রেকিং করতে পারবেন এমন মন-মানসিকতা ও শারীরিকভাবে সুস্থ এমন যে কেউ জয়েন করতে পারবেন আমাদের নাফাখুম-আমিয়াখুম ইভেন্টে।
# প্যাকেজে যা যা থাকছে
★ ঢাকা-চকরিয়া-ঢাকা (৪০ সিটের ননএসি বাসের টিকেট)
★ চকরিয়া-থানচি-চকরিয়া (চান্দেরগাড়ি খরচ)
★ রিজার্ভ বোট ভাড়া
★ যাবতীয় লোকাল গাইডের খরচ।
★ দুই রাত স্থানীয়দের ঘরে থাকার খরচ।
★ প্রথমদিন সকাল, দুপুর (ড্রাই ফুড), রাত, দ্বিতীয় দিন সকাল, দুপুর, রাত, তৃতীয়দিন সকাল ও দুপুরের খাবার)।
# প্যাকেজে যা যা থাকছে না
★ যাওয়া ও আসার দিন রাতের খাবার
★ কোনো প্রকার মিনারেল ওয়াটার খরচ
★ যেকোনো ব্যক্তিগত ও ওষুধ খরচ
★ লাইফ জ্যাকেট ভাড়া (বাধ্যতামূলক নিতে হবে এবং নিজ দায়িত্বে রাখতে হবে)।
★ রেমাক্রি থেকে বোটে নাফাখুম যাওয়ার মতো অবস্থা থাকলে সে খরচ নিজ নিজ।
# ট্যুর নিয়ে কিছু কথা
এটা একটি অ্যাডভেঞ্চার টাইপ ট্রিপ। তিন দিনে প্রায় ১৫ ঘণ্টা ট্র্যাকিং আছে, তবে এর সৌন্দর্য্য ভুলিয়ে দেবে সকল কষ্ট। পাহাড়ের যেকোনো পরিস্থিতিতে নিজেকে মানিয়ে নিতে হবে। সময়, স্থান ও সুযোগের ভিত্তিতে সবচেয়ে ভালো খাবারই খাওয়ানোর চেষ্টা থাকবে। এত হাঁটা কেন/আর হাঁটতে পারব না/খাবার এমন কেন/ভালো ওয়াশরুম নেই কেন- এমন মানসিকতার মানুষের জন্যে এই ট্রিপ নাহ।
★ অনিবার্য বা আবহাওয়াজনিত কারণে আরো একরাত পাহাড়ে কাটাতে হলে ইভেন্ট ফি-এর বাইরে আরো ১০০০ টাকা ফি দিতে হবে।
সম্ভাব্য ট্যুর প্লান
বৃহস্পতিবার রাত ৯.৩০ এর গাড়িতে করে আমরা সায়েদাবাদ থেকে রওনা হবো। শুক্রবার ভোরে চকরিয়া/আলিকদম পৌঁছে সকালের নাস্তা সেরে নিয়ে রিজার্ভ চান্দের গাড়িতে করে থানচি বা তিন্দু। বেলা ১১টা নাগাদ গাইডের সাথে সাক্ষাৎ করে প্রশাসনিক পারমিশন নিয়ে চলে যাব নৌকা ঘাটে। এরপর নৌকা চলবে রেমাক্রির দিকে। ২ ঘণ্টা পর পৌঁছে যাব রেমাক্রি। পথে দেখে নিবো মেঘ পাহাড়ের দেশ খ্যাত তিন্দু। রেমাক্রি থেকে মোটামুটি ৪ ঘণ্টা হাঁটার রাস্তা, পথে পড়বে নাফাখুম। সন্ধ্যার পরপর পৌঁছে যাবো থুইসা/জিন্নাপাড়া সেখানে রাতে স্থানীয়দের ঘরে থাকা হবে।
শনিবার ভোরে ঘুম থেকে উঠে ফ্রেশ হয়ে নাস্তা করে নিয়ে রওনা হবো আমিয়াখুমের পথে। পথে দেখব দেবতাপাহাড়। মোটামুটি ৩ ঘণ্টা হাঁটলে আমরা পৌঁছে যাবো আমিয়াখুম। আমিয়াখুমের সাথে ভেলাখুম, সাতবাইখুম দেখে আমরা রওয়ানা দেবো পাড়ার উদ্দেশ্যে, পাড়াতে এসে দুপুরের খাবার খেয়ে ব্যাগ নিয়ে নাফাখুমের উদ্দেশে রওনা হবো, এই যাওয়া আসাতে সব মিলে ৮-৯ ঘণ্টা লাগবে। রাতে আমরা নাফাখুম পাড়ায় থাকবো। (তবে থাকার জায়গা পরিবর্তন হতে পারে)।
রবিবার সকালে ঘুম থেকে উঠে রওয়ানা দেব রেমাক্রির পথে, সুন্দর রেমাক্রি ফলস উপভোগ করবো নিজেদের মতো করে। এরপর বোটে করে থানচির পথে রওনা হবো! থানচি এসে দুপুরের খাবার শেষে চান্দেরগাড়ি তে করে চলে যাবো ডিম পাহাড় হয়ে আলিকদম। এরপর চকরিয়া গিয়ে রাতের বাসে ঢাকা ফেরা।
বুকিং বা বিস্তারিতঃ ফয়সাল- 01648-189538 (WhatsApp)

