ইফতারের জন্য ঢাকার সেরা ১০টি রেস্টুরেন্ট

abc

রমজান মাসে ইফতার শুধু একটি ধর্মীয় আচার নয়, এটি মুসলমানদের খাদ্য সংস্কৃতিরও এক বিরাট অংশ। তারই এক অভাবনীয় বৈচিত্র্য দেখা যায় ঢাকার রেস্টুরেন্টগুলোতে। প্রতিবারই এই পবিত্র মাসকে কেন্দ্র করে নানা ধরণের ইফতার প্ল্যাটারের আয়োজন করা হয়। এখানে ঐতিহ্যবাহী খাবারের সাথে থাকে আধুনিক খাবারের অপূর্ব সংমিশ্রণ। রাজধানীর বিভিন্ন স্থানের তেমনি কয়েকটি জনপ্রিয় রেস্টুরেন্টকে নিয়ে সাজানো হয়েছে আজকের নিবন্ধ। চলুন, ইফতার করার জন্য ঢাকার ১০টি সেরা রেস্টুরেন্টের ব্যাপারে বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক।

ঘরের বাইরে ইফতারের জন্য ঢাকার জনপ্রিয় ১০টি রেস্টুরেন্ট

মুম্বাই এক্সপ্রেস (Mumbai Express)
উত্তরার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত মুম্বাই এক্সপ্রেস ইফতার আয়োজনের এক অভিজাত গন্তব্য। রমজানে এখানকার পরিপূর্ণ মেনুতে মেলে স্বাদ ও ঐতিহ্যের মিশ্রণ।

এ বছর Mumbai Express-এর পরিবেশনায় রয়েছে তিনটি প্ল্যাটার। নান ইফতার নামক প্ল্যাটারে পাওয়া যাবে ৯টি আইটেম, যার মূল্য শুরু ৬৫০ টাকা থেকে। ৮টি বাহারি পদের বিরিয়ানি ইফতারের দামও একই। ন্যূনতম ৭৫০ টাকা থেকে শুরু হওয়া শাহী ইফতার-এ রয়েছে ৯টি পদ।

এর বাইরে মেনুর মূল আকর্ষণে আছে ৫৫০ টাকার মাটন হালিম। মিষ্টান্নর মধ্যে নজর কাড়ছে উপাদেয় স্বাদের রেশমি জিলাপি যার দাম পড়বে ২৮০ টাকা। আর একটু মোটা বোম্বে জিলাপির দাম ২০০ টাকা।

ঠিকানা: হাউস-১৬/এ, রোড-৪, সেক্টর-৪, উত্তরা।

যাত্রা বিরতি (Jatra Biroti)
বনানীর এই রেস্তোরাঁটি তাদের ইফতার প্ল্যাটারগুলোতে রেখেছে স্বাস্থ্যকর ও বৈচিত্র্যময়তার ছাপ। Jatra Biroti-এর খাবারগুলোর বিশেষ দিক হচ্ছে নিরামিষের প্রাধান্য।

এবারের রমজানে এখানে বাছাইয়ের জন্য থাকছে ৬টি প্ল্যাটার, যেগুলোর প্রত্যেকটির দাম ৪২০ টাকা। প্রতিটির সাধারণ খাবার হলো খেঁজুর, পিয়াজু, বেগুনী, ছোলা ভুনা, পালং শাক ভাজা, খেঁজুরের গুড়ের বিশেষ টক দই এবং খেঁজুর ও লেবুর শরবত।

লেটকা খিচুড়ি প্ল্যাটারে রয়েছে সব্জি ও ভাজা বেগুনের সংযোজন। চিড়ার পোলাও প্ল্যাটারে মশলাদার চাল ও মাশরুম কারি পাওয়া যায়। সবজি বিরিয়ানিতে সুগন্ধি সবজি বিরিয়ানি ও নারকেলের দুধে রান্না করা তরকারির স্বাদ।

নতুনের মধ্যে পরখ করা যেতে পারে মাশরুম র‍্যাপ প্ল্যাটার, যেখানে মশলাদার মাশরুম হালিম পরিবেশন করা হয়। ডাল-রুটি প্ল্যাটারের আইটেম হচ্ছে বাদামী গমের রুটি, ঘন মসুর ডাল ও মটরশুটির তরকারি। সর্বশেষ দই-চিড়া প্ল্যাটারে আছে লুচি ভাজা, আলুর দম এবং খেঁজুরের গুড়ে মিশ্রিত দই-চিড়া।

ঠিকানা: বাড়ি ৬৩, রোড ১৭/এ, ব্লক-ই, বনানী।

হাব রুফটপ (The Hub Rooftop)
ছাদের মুক্ত পরিবেশে সাশ্রয়ী মূল্যে ইফতারের জন্য দারুণ একটি স্থান মিরপুরের হাব রুফটপ। বন্ধু কিংবা পরিবার নিয়ে আড্ডার পাশাপাশি প্রধানত দুটি প্ল্যাটারকে ঘিরে অতিথিদের সমাগম হচ্ছে। প্রায় কাছাকাছি আইটেম বিশিষ্ট দুটো প্ল্যাটারেরই দাম ৪৫০ টাকা।

ইফতার প্ল্যাটার-১-এ আছে শর্মা, ফ্রাইড রাইস, চিকেন মাঞ্চুরিয়ান, ফ্রাইড চিকেন, স্প্রিং রোল, ফিশ টোস্ট (২টি), আঙ্গুর, খেজুর, পানি এবং ট্যাং জুস। ইফতার প্ল্যাটার-২তে সবই একই, কেবল ফ্রাইড রাইসের বদলে চাওমিন দেওয়া হয়।

কিছুটা সংকীর্ণ জায়গায় হওয়ায় The Hub Rooftop ছোট গ্রুপের জন্য উপযুক্ত। ছুটির দিনগুলোতে আগে থেকে কল করে বুকিং দিয়ে যাওয়াটা উত্তম।

ঠিকানা: ২৯, চিড়িয়াখানা রোড, ১\জি, মিরপুর-১ (ইয়োলো/আগোরা সুপারশপের বিপরীতে)।

গ্রাইন্ড হাউস মিউজিক ক্যাফে (GRIND HOUSE Music Cafe)
মনোরম ইন্টেরিয়র ও সুবিস্তৃত পরিসরে পারিবারিক ও কর্পোরেট অনুষ্ঠানের জন্য সেরা জায়গা গ্রাইন্ড হাউস। রমজান উপলক্ষে খিলগাঁওয়ের এই ক্যাফেটি পাঁচটি ভিন্ন প্ল্যাটার রেখেছে। তন্মধ্যে প্ল্যাটার-১, ২, ও ৩ একজনের জন্য আর ৪ ও ৫ দুইজনের জন্য।

প্ল্যাটার-১ (৫০০ টাকা) সাজানো হয়েছে ফল, স্প্রিং রোল, আলু ওয়েজ, ফ্রাইড রাইস, বারবিকিউ চিকেন স্টেক, সবজি, ও শরবত দিয়ে। প্ল্যাটার-২ (৫২০ টাকা)-তে একই আইটেম, তবে বারবিকিউ চিকেন স্টেকের বদলে দেয়া হয়েছে চিকেন চিলি পেঁয়াজ। আর সাথে অতিরিক্ত সযোজন হয়েছে ছোট ছোট করে কাটা গরুর মাংস। প্ল্যাটার-৩ (৪৫০ টাকা) প্ল্যাটার-২-এর মতই, শুধু চিকেন চিলি পেঁয়াজ ও কাটা গরুর মাংসের পরিবর্তে থাই ফ্রাইড চিকেন ও রেড চিকেন কারি দেয়া হয়েছে।

প্ল্যাটার-৪ (৯৯৯ টাকা) সমসাময়িক ইফতার আইটেম থেকে একদমি ভিন্ন। এতে আছে GRIND HOUSE Music Cafe-এর নিজস্ব গ্রাইন্ড পাস্তা এবং ১০ ইঞ্চি মেক্সিকান পিৎজা। প্ল্যাটার-৫ (৯৯৯ টাকা)-এ আছে নান রুটি (মাখন-রসুন মিশ্রিত), দুটি চিকেন তান্দুরি, দুটি রেশমি কাবাব, এবং দুটি হরিয়ালি কাবাব। সাথে ফলসহ ডাল তরকারি, ও শরবত।

ঠিকানা: ৩৬৮/বি নাজমা টাওয়ার, মিনিসো বিল্ডিং (লেভেল-৮), খিলগাঁও (তালতলা সুপার মার্কেটের কাছে)।

রোডসাইড কিচেন (Roadside Kitchen)
সাশ্রয়ী খরচে ইফতার করার আরও একটি জায়গা বসুন্ধরার রোডসাইড কিচেন। তাদের ৪৫০ টাকার প্ল্যাটারটি একজনের জন্য নির্ধারিত হলেও তাতে অনায়াসেই দুজনের ইফতার হয়ে যায়। কেননা এতে আছে আচারের রাইস, ফ্রাইড চিকেন; সাথে ডিম, কোল্‌স্ল, চিলি চিকেন, চিকেন মাঞ্চুরিয়ান এবং দুটি গ্রিল চিকেন।

ইফতার পাশাপাশি সেহরির সময়েও সমান উদ্দীপনায় মুখর হয়ে থাকে Roadside Kitchen।

ঠিকানা: আর/এ, ক-৯/এ, ১ম তলা, বসুন্ধরা।

বাঙালিয়ানা ভোজ
ইফতার ও সেহরিতে ওয়ারীর বাঙালিয়ানা ভোজ মানেই দেশীয় ঐতিহ্যের বর্ণিল আয়োজন। এখানে আদ্যোপান্ত দেশীয় খাবারের সম্ভারে সাজানো হয়েছে বিভিন্ন সেট মেনু। মাত্র ১৫০ টাকার প্যাকেজে পাওয়া যাবে চিকেন ও ডিমের কম্বো, এবং ২৫০ টাকায় বিফ ও ডিম। হাঁসের মাংস ও ডিমের সেট মেনুর দাম ২৯৯ টাকা।

যারা ভর্তা উপভোগ করতে চান, তাদের জন্য রয়েছে ১৬৯ টাকায় ভাত, ডাল ও ১১ পদের ভর্তা।

রেস্তোরাঁটির বিশেষ আকর্ষণ হচ্ছে দুটি ভ্যারিয়েন্টের গ্র্যান্ড খিচুড়ি প্ল্যাটার। একটি বিফ কালাভুনা দিয়ে, আরেকটি চিকেন ঝাল ফ্রাই দিয়ে।

এছাড়াও আলাদা ভাবে অর্ডার করা যাবে গরম খুদের পোলাও, বেগুন ভাজা, কষা মাংস, বাসমতী চালের ভাত ও বুটের ডাল মাটন।

ঠিকানা: গ্রাউন্ড ফ্লোর, ফরচুন গার্ডেন, ৮ নং র‍্যাংকিং স্ট্রিট, ওয়ারী।

ওয়ারীসহ বাঙালিয়ানা ভোজ-এর মোট ৬টি শাখা রয়েছে- মিরপুর, বসুন্ধরা, মোহাম্মদপুর, পান্থপথ ও নারায়ণগঞ্জ।

নবাবী ভোজ (Nawabi Voj)
রাজধানীর খাবার পাড়া হিসেবে প্রসিদ্ধ স্থানগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে বেইলি রোড। আর এই জায়গাটির কথা মাথায় এলে প্রথমেই আসবে নবাবী ভোজের নাম। রাজকীয় খাবার ও আরামদায়ক বসার ব্যবস্থার কারণে ইতোমধ্যেই রেস্তোরাঁটি বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। প্রশস্ত জায়গা থাকায় স্বভাবতই হলরুম বুকিং-এর সুবিধা আছে।

এই রমজানে Nawabi Voj-এর ইফতার প্যাকেজের মূল্য ৪০০ টাকা। এই দামের মধ্যে মিলবে দুই ধরনের ফল, হাফ চিকেন টিক্কা, হাফ নান, এবং হাফ অন্থন বা স্প্রিং রোল। সাথে আছে তাদের নিজস্ব নবাবী স্পেশাল শরবত, শাহী খেঁজুর, ঘি ও জাফরানে ভাজা নবাবী জিলাপি। আর নিয়মিত ইফতারির পেয়াজু, বেগুনি, শসা, লেবু ও পানি তো থাকছেই।

আলাদা ভাবে মাটন, বিফ ও চিকেন বিশেষে আছে শাহী হালিম। মূল্য বিভিন্ন পরিমাণের ভিত্তিতে ৫০০ থেকে ২ হাজার টাকা।

ঠিকানা: ১৫ নিউ বেইলি রোড, ৬ নাটক সরণী সিদ্ধেশরী।

এর আরও দুটি শাখা আছে- সিদ্ধেশ্বরী গার্লস কলেজ সংলগ্ন মহিলা সমিতির বিপরীতে একটি এবং অন্যটি মোহাম্মদপুর এলাকায়।

টেস্ট ব্লাস্ট (Taste Blast)
বুফেপ্রেমিদের জন্য ধানমন্ডির অন্যতম সেরা রেস্টুরেন্ট হচ্ছে টেস্ট ব্লাস্ট। রমজান মাসের শুরু থেকেই ৭৫টিরও বেশি আইটেম নিয়ে তারা শুরু করেছে ৬৯৯ টাকার বুফে। এতে যথারীতি রয়েছে অ্যাপেটাইজার, মেইন ডিশ, ডেসার্ট, ফ্রুট, ককটেইল, সস, ড্রিঙ্ক্স, এবং ইফতার স্পেশাল।

মেইন ডিশের আইটেমগুলো হলো কাবাব, মশলাদার চিকেন বিরিয়ানি, সুগন্ধি ফ্রাইড রাইস, মেজবানি মাংস অথবা নরম-গরম গরুর মাংসের রেজালা এবং বিফ তেহারি।

ইফতার স্পেশালে চিরাচরিত ইফতার আইটেমের পাশাপাশি আছে চিকেন স্যাশলিক, দই বড়া, গরুর মাংসের হালিম ও তরমুজের জুস।

বন্ধু-বান্ধব বা পরিবার নিয়ে Taste Blast-এ ইফতার করতে আগে থেকে বুকিং দিয়ে আসতে হবে।

ঠিকানা: লেভেল ১০, ৭৩৬ র‍্যাঙ্গ্স কেবি স্কয়ার, ধানমন্ডি ৯/এ, সাতমসজিদ রোড।

দ্যা মুঘল এম্পায়ার (The Mughal Empire)
ঢাকার খাবারে ঐতিহাসিক মুঘল আমলের প্রভাব বহুকাল আগে থেকেই। মোহাম্মদপুরের দ্যা মুঘল এম্পায়ারকে বলা যেতে পারে তারই এক অত্যাধুনিক পরিবেশনা। এদের মূল বিশেষত্ব হলো কাবাবে বৈচিত্র্য। এবার তাদের আয়োজনে আছে ৩টি কম্বো মেনু।

কাবাব কম্বো-১ (৪৯০ টাকা)-এ আছে আফগানি তেঙ্গি কাবাব (১ টি), চিকেন আচারি কাবাব (২ টি), হরিয়ালি কাবাব (২ টি) এবং রসুন নান (১ টি)।

তন্দুরি চিকেন (১ টি), গরুর মাংসের শিক কাবাব (২ টি), গরুর মাংসের বটি কাবাব (৩ টি) এবং পেশওয়ারি নান (১ টি) নিয়ে সাজানো হয়েছে কাবাব কম্বো-২ (৬৯০ টাকা)।

৫১০ টাকার কাবাব কম্বো-৩-এর আইটেম হচ্ছে মুর্গ মাখনওয়ালা (২ টি), রেশমি কাবাব (২ টি), চিকেন শিক কাবাব (২ টি) এবং বাটার নান (১ টি)।

তিন প্যাকেজেরই সাধারণ আইটেম হচ্ছে কোল্‌স্ল, তেঁতুলের সস, তাজা লেবুর রস ও খেঁজুর। ছুটির দিন ছাড়া অন্যান্য দিনগুলোতেও The Mughal Empire-এ প্রচুর লোকসমাগম হয়। আগে বুকিং দিয়ে এলে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষার বিড়ম্বনা পোহাতে হবে না।

ঠিকানা: হাউস জেড-২০, লেভেল-২, তাজমহল রোড, মোহাম্মদপুর।

অটোগ্রাফ লাইভ মিউজিক ক্যাফে (Autograph Live Music Cafe)
চোখ ধাঁধানো রেস্টুরেন্টের দিক থেকে রামপুরার বনশ্রীও একদম পিছিয়ে নেই। একটু বাজেট বান্ধব ও সুদৃশ্য ইন্টেরিয়রের খোঁজ করতে গেলে অচিরেই সামনে আসে অটোগ্রাফ-এর নাম।

বর্তমানে Autograph Live Music Cafe পার্টি বুকিং ও সেট মেনুতে ১২ শতাংশ ছাড় দিচ্ছে। ১টি প্ল্যাটার ও ৩টি মেনুর প্রতিটির সাধারণ আইটেম হলো খেঁজুর, পেয়ারা, সবেদা, শসা ও লেবুর শরবত।

খাবসা নামক প্ল্যাটার (৩৯৯ টাকা)-এর পৃথক আইটেমগুলো হলো- বাসমতি রাইস, তান্দুরি চিকেন, ডিম ও মাসালা গ্রেভি।

৩৯৯ টাকায় সেট মেনু-১-এ রয়েছে পাতায়া রাইস, ফ্রাইড চিকেন, চিংড়ি মাসালা কারি ও গ্রিল সব্জি। সেট মেনু-২ (৪৪৯ টাকা)-এর আইটেমও প্রায় কাছাকাছি; ফ্রাইড রাইস, তান্দুরি চিকেন, চিকেন মাসালা কারি ও গ্রিল সব্জি।

সেট মেনু-৩ (২৭৯ টাকা)-এ পাওয়া যাবে ফ্রাইড রাইস, ফ্রাইড চিকেন ও চিকেন মাসালা কারি।

এছাড়া মুগির রোস্ট ও ডিমসহ ২৪৯ টাকায় নেয়া যাবে মোরগ পোলাও।

ঠিকানা: বাড়ি-৩৯, রোড-৫, ব্লক-সি, বনশ্রী, রামপুরা।

শেষাংশ
ঢাকার এই ১০টি জনপ্রিয় রেস্টুরেন্ট সব ধরণের ভোজনরসিকদের জন্য উৎকৃষ্ট গন্তব্য। তন্মধ্যে ঐতিহ্যবাহী খাবারের আয়োজনে এগিয়ে থাকবে মুম্বাই এক্সপ্রেস, নবাবী ভোজ, ও দ্যা মুঘল এম্পায়ার। বুফের জন্য বেছে নেওয়া যেতে পারে টেস্ট ব্লাস্টকে। বাংলা খাবারের প্রতি যাদের আলাদা টান রয়েছে, তারা নিমেষেই চলে যেতে পারেন বাঙালিয়ানা ভোজ-এ। যাত্রা বিরতি, হাব রুফটপ, এবং রোডসাইড কিচেন-এর মতো রেস্তোরাঁগুলো দিতে পারে খোলামেলা পরিবেশে ইফতারের অভিজ্ঞতা। একই ভাবে গ্রাইন্ড হাউস ও অটোগ্রাফ-এর সুদৃশ্য ইন্টেরিয়র ভোজনের সময়টিকে ভরিয়ে তুলতে পারে দারুণ মুগ্ধতায়। সর্বপরি, এই রেস্তোরাঁগুলো সম্মিলিতভাবে সময়ের সাথে ঢাকার খাদ্য সংস্কৃতির বিবর্তনকে প্রতিফলিত করছে।